কোণার বাতি।
এমন একটি বাতিঘর যা রাস্তার মোড়ে কোনো যানবাহনের সামনে, পাশে বা পেছনে সহায়ক আলো প্রদান করে। যখন রাস্তার পারিপার্শ্বিক আলোর অবস্থা পর্যাপ্ত থাকে না, তখন এই কর্নার লাইট সহায়ক আলো হিসেবে একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করে এবং গাড়ি চালানোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এই ধরনের বাতিঘর সহায়ক আলো হিসেবে একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করে, বিশেষ করে সেইসব এলাকায় যেখানে রাস্তার পারিপার্শ্বিক আলোর অবস্থা অপর্যাপ্ত। মোটরযানের নিরাপদ চলাচলের জন্য গাড়ির বাতির গুণমান এবং কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পেছনের টেইল লাইট না জ্বলার কারণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে বাল্ব পুড়ে যাওয়া, তার গরম হয়ে যাওয়া, রিলে বা কম্বিনেশন সুইচের ক্ষতি, তার ছিঁড়ে যাওয়া, ফিউজ নষ্ট হয়ে যাওয়া, দুর্বল সংযোগ ইত্যাদি। এমনটা হলে, প্রথমে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া উচিত যে বাল্বটি বা মূল ল্যাম্প হোল্ডারটি পুড়ে যায়নি। যদি সমস্যাটি চলতে থাকে, তাহলে সাধারণ সার্কিটের সমস্যা এবং ফিউজ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম। এক্ষেত্রে, সাধারণত গ্যারেজে গিয়ে ভালোভাবে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ গাড়ির সার্কিট ব্যবস্থা খুবই জটিল এবং সাধারণ মানুষের পক্ষে সমস্যাটি সঠিকভাবে নির্ণয় করা কঠিন হতে পারে।
বাল্ব নষ্ট হয়ে যাওয়া সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে একটি। এক্ষেত্রে একটি নতুন বাল্ব লাগাতে হবে এবং সার্কিটে কোনো শর্ট সার্কিট আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।
মূল ল্যাম্প হোল্ডারটি পুড়ে গেলে টেইললাইটের সাথে সংযোগ করা যাবে না, ফলে টেইললাইটটি জ্বলবে না। সময়মতো মূল ল্যাম্প হোল্ডারটি মেরামত করা প্রয়োজন।
রিলে বা সুইচ সংমিশ্রণ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ওপেন সার্কিট তৈরি হবে, যার ফলে সময়মতো রিলে বা সুইচ সংমিশ্রণটি মেরামত করা প্রয়োজন।
নষ্ট ফিউজটি বদলে নতুন একটি লাগাতে হবে।
গাড়ির ওয়্যারিং পুরোনো হয়ে গেলে সহজেই লাইনে শর্ট সার্কিট হতে পারে, তাই পুরোনো ওয়্যারিং হারনেসটি বদলে ফেলা প্রয়োজন।
লাইট বাল্বের সংযোগ দুর্বল হলে, বাল্বের তারের সংযোগ ঢিলা আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে। তার ঢিলা থাকলে সংযোগ দুর্বল হয়ে যাবে, যতক্ষণ পর্যন্ত সংযোগটি ভালো থাকে।
যদি দুটি লাইটই না জ্বলে, তাহলে লাইন বা রিলে সুইচে সমস্যা থাকার সম্ভাবনা খুব বেশি। যদি কেবল একটি লাইট না জ্বলে এবং অন্যটি জ্বলে, তাহলে সম্ভবত বাল্বটি নষ্ট হয়ে গেছে বা সংযোগটি ঠিকমতো নেই। যেহেতু গাড়ির সার্কিট খুব জটিল, তাই আপনি গ্যারেজে গিয়ে মেকানিককে দিয়ে মাল্টিমিটার দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে সমস্যাটি কোন অংশে তা জানতে এবং রক্ষণাবেক্ষণ করাতে পারেন।
পেছনের টেইললাইট বিকল হলে ড্যাশবোর্ড জ্বলে ওঠে।
ড্যাশবোর্ডের পেছনের লাইটে বিভিন্ন কারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে ব্রেক ফ্লুইড কমে যাওয়া, টেইললাইট বাল্বের সার্কিটে শর্ট সার্কিট, ব্রেক ডিস্কের ক্ষয় ও পুরোনো হয়ে যাওয়া, ব্রেক সুইচের ক্ষতি, ABS সেন্সরের সমস্যা ইত্যাদি। এই ত্রুটিগুলো শুধু গাড়ির নিরাপত্তা কার্যকারিতাকেই প্রভাবিত করে না, বরং গাড়ি চালানোর নিরাপত্তাকেও প্রভাবিত করতে পারে। তাই, ড্যাশবোর্ডের পেছনের টেইললাইটে সমস্যা দেখা দিলে, মালিকের উচিত সময়মতো পরীক্ষা ও মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া।
ব্রেক ফ্লুইডের ঘাটতি একটি সাধারণ কারণ এবং সময়মতো তা পূরণ করা প্রয়োজন।
টেইললাইট বাল্বের লাইনে শর্ট সার্কিট বা ক্ষতিও ফল্ট লাইট জ্বলার অন্যতম কারণ, এবং সেক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত বাল্বটি প্রতিস্থাপন করা বা শর্ট-সার্কিট হওয়া অংশটি মেরামত করার প্রয়োজন হতে পারে।
পুরোনো ব্রেক প্যাড বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্রেক সুইচের কারণেও ফল্ট লাইট জ্বলে উঠতে পারে, যার জন্য জীর্ণ ব্রেক প্যাড পরীক্ষা ও প্রতিস্থাপন অথবা ক্ষতিগ্রস্ত ব্রেক সুইচ মেরামত করা প্রয়োজন।
ABS সেন্সরের কোনো সমস্যার কারণে পেছনের টেইললাইটের ফেইলর লাইটও জ্বলে উঠতে পারে, এবং এক্ষেত্রে ABS সেন্সরটি পরীক্ষা ও মেরামত করা প্রয়োজন।
এছাড়াও, গাড়ির অন্যান্য সিস্টেমের সমস্যা, যেমন এয়ারব্যাগ ফল্ট লাইট জ্বলে থাকা, ড্যাশবোর্ডের পেছনের টেইল লাইটের সমস্যার কারণ হতে পারে। এক্ষেত্রে, পেছনের টেইল লাইটটির নিজস্ব সমস্যা পরীক্ষা করার পাশাপাশি, এটিও বিবেচনা করা উচিত যে এটি অন্যান্য সিস্টেমের ত্রুটির কারণেও হতে পারে।
সংক্ষেপে, ড্যাশবোর্ডের পেছনের টেইল লাইটটি ত্রুটিপূর্ণ হলে, ড্রাইভিং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মালিকের উচিত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গাড়িটি পরীক্ষা করে মেরামত করানো।
আপনি যদি আরও জানতে চান, তাহলে এই সাইটের অন্যান্য নিবন্ধগুলো পড়তে থাকুন!
আপনার এই ধরনের পণ্যের প্রয়োজন হলে আমাদের ফোন করুন।
ঝুও মেং সাংহাই অটো কোং, লিমিটেড এমজি এবং এমওএক্সএস গাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ক্রয়ের জন্য স্বাগতম।