গাড়ির এয়ারব্যাগ হলো গাড়ির পরোক্ষ সুরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস, এবং সহ-চালকের এয়ারব্যাগ এখন গাড়ির একটি সাধারণ মানদণ্ড হয়ে উঠেছে। সহ-চালকের এয়ারব্যাগ যখন কাজ করে, তখন গ্যাস ইনফ্লেটরের মাধ্যমে এয়ারব্যাগটি ফুলিয়ে তোলা হয় এবং ফুলে ওঠার পর এটি খুলে গিয়ে আরোহীকে সুরক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য পূরণ করে। আজকের নতুন শক্তির গাড়িগুলোতে সহ-চালকের আসনে একটি বড় ডিসপ্লে ডিজাইন করা হয় যা পুরো আসন জুড়ে বিস্তৃত থাকে এবং ইন্সট্রুমেন্ট প্যানেলের চেয়ে উঁচু হয়, যা এয়ারব্যাগের প্রসারণকে প্রভাবিত করে।
এয়ার ব্যাগের আকৃতি এবং ভাঁজ করার পদ্ধতি এর প্রসারণ ক্ষমতার উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে, এবং আরও ভালো সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এয়ার ব্যাগটি ইন্সট্রুমেন্ট প্যানেল ও ডিসপ্লে স্ক্রিনের কাছাকাছি থাকা উচিত। একই সাথে, এয়ার ব্যাগের ভাঁজ করার পদ্ধতিও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে, কো-পাইলট এয়ারব্যাগের দুটি ভাঁজ করার পদ্ধতি রয়েছে: একটি হলো যান্ত্রিক এক্সট্রুশন ফোল্ডিং, যেখানে যান্ত্রিক বাহুর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এয়ার ব্যাগটিকে শেলের ভেতরে চেপে দেওয়া হয়; অন্যটি হলো ম্যানুয়াল টুলিং ফোল্ডিং, যা সেপারেটর ব্যবহার করে হাতে ভাঁজ করা হয়।
মেকানিক্যাল এক্সট্রুশন ফোল্ডিংয়ের আকৃতি তুলনামূলকভাবে স্থির থাকে, এতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা কঠিন, এবং এয়ারব্যাগটি দ্রুত প্রসারিত হয় ও এর অভিঘাত বল বেশি হয়, যা সব পরীক্ষার শর্ত পূরণ করতে পারে না। ম্যানুয়াল টুলিং ফোল্ডিংয়ের মাধ্যমে এয়ারব্যাগের প্রসারণের গতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং এর অভিঘাতও কম হয়। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, বিভিন্ন মডেলের সংঘর্ষের প্রয়োজনীয়তা মেটাতে এয়ারব্যাগের অবস্থান সামঞ্জস্য করা যায়।