সম্প্রতি আমি একটি খুব আকর্ষণীয় বিষয় লক্ষ্য করেছি। ব্যবহৃত গাড়ির কেনাবেচার পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধির সাথে সাথে মালিকদের হাতে-কলমে কাজ করার ক্ষমতাও দিন দিন বাড়ছে। মনে হচ্ছে, গাড়ি সম্পর্কে প্রত্যেকের জ্ঞানই সমান পর্যায়ে উন্নত হয়েছে। গাড়ির কিছু প্রাথমিক জ্ঞানও এক একটি অমূল্য সম্পদ। তাই আরও বেশি সংখ্যক মালিক নিজেরাই তাদের গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করতে পছন্দ করছেন। বিশেষ করে কিছু সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণের কাজ, যেমন—এয়ার কন্ডিশনার পরিবর্তন, এয়ার কন্ডিশনিং ফিল্টার এলিমেন্ট, গাড়ির যন্ত্রাংশের সাধারণ পরিদর্শন ইত্যাদি।
কিন্তু এখনও অনেক মালিক রক্ষণাবেক্ষণের যন্ত্রাংশ প্রতিস্থাপনের ভুল পদ্ধতি অনুসরণ করেন, যার ফলে তাদের প্রচুর টাকা খরচ হয়ে যায়। তাই আজ আমরা আপনাদের "এয়ার ফিল্টার প্রতিস্থাপন পদ্ধতি" সম্পর্কে ব্যাখ্যা করব।
এয়ার ফিল্টার এলিমেন্টের ভূমিকা
এয়ার ফিল্টার এলিমেন্টের কাজ খুবই সহজ, সহজ কথায় বলতে গেলে এটি বাতাসের মধ্যে থাকা ক্ষুদ্র কণা বা দূষিত পদার্থকে ফিল্টার করে। যেহেতু ইঞ্জিন চলার সময় প্রচুর পরিমাণে বাতাস গ্রহণ করে, তাই এয়ার ফিল্টার বাতাসে থাকা "শ্বাসযোগ্য কণা" ছেঁকে ফেলে, যা পরে (ইনলেট বা) সিলিন্ডারে প্রবেশ করে গ্যাসোলিনের সাথে মিশে দহন ঘটায়। যদি এয়ার ফিল্টার তার যথাযথ ফিল্টারিং ক্ষমতা প্রয়োগ করতে না পারে, তবে বাতাসে থাকা বড় কণাগুলো দহনের জন্য ইঞ্জিনে প্রবেশ করবে, যা সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটির কারণ হবে। এর একটি সাধারণ ত্রুটি হলো সিলিন্ডার বিকল হয়ে যাওয়া!
এয়ার কন্ডিশনিং ফিল্টার এলিমেন্টটি কখন প্রতিস্থাপন করা হবে?
এয়ার কন্ডিশনারের ফিল্টার এলিমেন্ট কখন বদলাতে হবে, এই প্রশ্নের উত্তরে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন মত পাওয়া যায়। কেউ কেউ ১০,০০০ কিলোমিটার পর পর বদলানোর পরামর্শ দেন, আবার কেউ কেউ ২০,০০০ কিলোমিটার পর পর বদলানোর পরামর্শ দেন!! আসলে, এয়ার ফিল্টার বদলানোর বিষয়টি প্রকৃত পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। যেমন, কিছু এলাকায় যেখানে প্রচুর বালি ও ধুলোবালি থাকে, সেখানে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, মালিকের উচিত প্রতিবার রক্ষণাবেক্ষণের সময় এয়ার ফিল্টার পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজনে বদলানোর চক্রটি সংক্ষিপ্ত করা। আবার কিছু শহরে যেখানে বাতাস তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার, সেখানে বদলানোর চক্রটি প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়ানো যেতে পারে।