কার্বন ট্যাঙ্কটি কী কাজ করে?
কার্বন ট্যাঙ্কের ভূমিকা: ট্যাঙ্কটি ঘরের তাপমাত্রায় বাষ্প তৈরি করে, জ্বালানি বাষ্পীভবন নির্গমন ব্যবস্থা দহনে বাষ্প প্রবেশ করিয়ে বায়ুমণ্ডলে বাষ্পীভবন রোধ করে, বায়ু দূষণ কমায়, এবং এতে সক্রিয় কার্বন ট্যাঙ্ক স্টোরেজ ডিভাইস একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কার্বন ট্যাঙ্কটি গ্যাসোলিন বাষ্পীভবন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থারও একটি অংশ, যা ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলে জ্বালানি বাষ্পকে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই ডিভাইসটি কেবল নিষ্কাশন নির্গমনই কমায় না, জ্বালানি খরচও কমায়। কার্বন ক্যানিস্টার সম্পর্কিত ত্রুটি: ১. গাড়ি চলার সময় অস্বাভাবিক শব্দ। গাড়ি যখন নিষ্ক্রিয় গতিতে চলে না, তখন কখনও কখনও খটখটে শব্দ শোনা যায়। যখন গাড়িতে এই পরিস্থিতি দেখা দেয়, তখন প্রথমে গাড়ির কার্বন ট্যাঙ্ক সোলেনয়েড ভালভ পরীক্ষা করতে হবে। যদি এটি সোলেনয়েড ভালভ থেকে আসা শব্দ হয়, তবে এটি নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। কারণ গাড়ির থ্রটল খোলা হলে কার্বন ট্যাঙ্ক সোলেনয়েড ভালভ মাঝে মাঝে সুইচিং ক্রিয়া করে, যার ফলে এই শব্দ তৈরি হয়, যা একটি স্বাভাবিক ঘটনা। ২. গাড়ির অ্যাক্সিলারেটরে চাপ দিলে গাড়ির ভেতরে গ্যাসোলিনের গন্ধ বেশি পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে, কার্বন ট্যাঙ্ক সিস্টেমের পাইপলাইনে কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। যদি ক্ষতি হয়ে থাকে, তাহলে গ্যাসোলিনের বাষ্প পাইপলাইনের মাধ্যমে গাড়িতে প্রবেশ করবে, ফলে গাড়ির ভেতরে গ্যাসোলিনের গন্ধ পাওয়া যাবে। ৩. ইঞ্জিনের আইডল স্পিড ওঠানামা করে এবং গাড়ির গতি বৃদ্ধি দুর্বল হয়। এই পরিস্থিতি কার্বন ট্যাঙ্কের এয়ার ইনলেট এবং ফিল্টার বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে হতে পারে, এবং বাইরের বাতাস সহজে কার্বন ট্যাঙ্কে প্রবেশ করতে পারে না, ফলে অক্সিজেন সেন্সরের মিশ্রণ খুব শক্তিশালী হয়ে যায়, ইঞ্জিন জ্বালানি সরবরাহ কমিয়ে দেয়, যার ফলে আইডল স্পিড এবং গতি বৃদ্ধি পায়। ৪. ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলেও সহজে চালু হয় না। এক্ষেত্রে, কার্বন ট্যাঙ্কের সোলেনয়েড ভালভ বন্ধ আছে কিনা তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। কার্বন ট্যাঙ্কে তেল এবং গ্যাস জমে গেলে অবশিষ্ট তেল এবং গ্যাস সরাসরি বায়ুমণ্ডলে মিশে পরিবেশ দূষিত করে। অন্যদিকে, যদি এটি সর্বদা খোলা অবস্থায় থাকে, তবে এটি গরম গাড়িতে খুব শক্তিশালী মিশ্রণ তৈরি করবে, এবং ইঞ্জিন বন্ধ করার পর গাড়ি সহজে চালু হবে না।