গাড়ির ট্রাঙ্ক লকের নকশাচিত্র; বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা এবং মডেলের ট্রাঙ্ক খোলার নিজস্ব পদ্ধতি থাকে। ট্রাঙ্ক বিকল হওয়ার কারণ এবং তার প্রতিকারের পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ:
১. কানেক্টিং রড বা লক কোরের সমস্যা
যদি আপনি প্রায়ই চাবি দিয়ে পেছনের ঢাকনা খোলেন, তাহলে বুঝতে হবে সংযোগটি নষ্ট হয়ে গেছে, এটি খোলার জন্য মেরামতের দোকানে যান। যদি আপনি রিমোট কন্ট্রোলার ব্যবহার করে পেছনের বাক্সের ঢাকনা খুলে থাকেন, তাহলে লক কোরটি নোংরা বা মরিচা ধরা। লক কোরের ভেতরে কয়েকবার মরিচা দূর করার স্প্রে করে আপনি এটি খুলতে পারেন।
২. ডিভাইসটি আনলক করা নেই।
এটা রিমোট কী দিয়ে খোলা যায় না, তাই খুলতে কষ্ট হবে। খোলার আগে চাবির ওপেন বাটনটি টিপে নেওয়া ভালো, অথবা চাবির ব্যাটারি শেষ হয়ে গেছে কিনা তা দেখে নিন।
৩, শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ব্যর্থতা
ট্রাঙ্কটিতেই কোনো সমস্যা আছে, যেমন—ট্রাঙ্কের ভেতরে কোনো কর্ড ছিঁড়ে গেছে বা অন্য কোনো সমস্যার কারণে ট্রাঙ্কটি খোলা যাচ্ছে না।
৪. পাঁচ দরজার গাড়ি সাধারণত ভেতর থেকে খোলা যায় না।
কিছু কঠিন অফ-রোড গাড়ির মতো, গাড়ি চালানোর সময় অসাবধানতাবশত স্পর্শের কারণে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে, সেজন্য সাধারণ গাড়িতে ট্রাঙ্কের সুইচ থাকে না, ফলে এটি কেবল গাড়ির বাইরে থেকেই খোলা যায়।
জরুরি খোলার পদ্ধতি
যদি ট্রাঙ্কের সুইচ কাজ না করে, তবে আপনি চাবি দিয়ে এটি খুলতে পারবেন না। এক্ষেত্রে আমরা জরুরি খোলার পদ্ধতিটি অবলম্বন করতে পারি; বেশিরভাগ মডেলের ট্রাঙ্কের ভেতরে একটি ছোট স্লট থাকে। একটি চাবি বা অন্য কোনো ধারালো বস্তু ব্যবহার করে উপরের খোলসটি ফাঁক করে খোলা যায়। খোলসটি ফাঁক করে খোলার পর, আপনি ভেতরে থাকা পেছনের এবং ট্রাঙ্কের লকিং মেকানিজম দেখতে পাবেন। আপনি হাত দিয়ে হালকা টান দিয়েই সহজেই দরজাটি খুলতে পারবেন। অবশ্যই, এই ধরনের পরিস্থিতি খুব কমই ঘটে, তাই কোনো ত্রুটি থাকলেও আমরা প্রথমেই তা মেরামত করার পরামর্শ দিই।