যানবাহনটি কত গভীর জলে চলছে? জল কত গভীরে যেতে পারে?
যখন পানির গভীরতা টায়ারের উচ্চতার এক-তৃতীয়াংশ হয়, তখন নিশ্চিন্ত থাকা প্রয়োজন। কিন্তু যখন পানির গভীরতা টায়ারের উচ্চতার অর্ধেকের বেশি হয়, তখন সতর্ক থাকা আবশ্যক, কারণ এই পরিস্থিতিতে সহজেই গাড়ির ভেতরে পানি ঢুকে যেতে পারে। যদি পানির গভীরতা বাম্পার অতিক্রম করে, তবে ইঞ্জিনে পানি প্রবেশ এড়াতে সতর্কভাবে গাড়ি চালানো উচিত। যদি ইঞ্জিনে পানি ঢুকে যায়, তবে পুনরায় গাড়ি চালু করবেন না, অন্যথায় এটি গাড়ির মারাত্মক ক্ষতি করবে। যদি পানি পার হওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে কোনো গাড়ি আসে, তবে তার সামনের পানির উচ্চতার দিকে অবশ্যই মনোযোগ দিতে হবে। যদি পানির স্তর খুব বেশি হয়, তবে এই সময়ে সঠিকভাবে গতি বাড়াতে হবে। এর কারণ হলো, ঢেউয়ের ধাক্কায় সৃষ্ট পানি ব্যবহার করে গাড়ির ওপর থেকে ঢেউয়ের চাপ কমানো যায়। এই পরিস্থিতিতে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন আতঙ্কিত না হন এবং ব্রেক চাপবেন না! গাড়ি চালানোর সময় গিয়ারবক্সের ভেতরে চাপ সৃষ্টি হয়, তাই স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে পানি পার হওয়ার সময় গিয়ারবক্সে পানি প্রবেশ করে না। কিন্তু গাড়ি বন্ধ করার পর যদি দীর্ঘ সময় ধরে পানিতে ডুবে থাকে, তবে ট্রান্সমিশন অয়েল নষ্ট হয়ে গেছে কিনা বা তাতে পানি জমেছে কিনা তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।