কোণার বাতি।
এমন একটি আলোকসজ্জা যা রাস্তার মোড়ে কোনো যানবাহনের সামনে, পাশে বা পেছনে সহায়ক আলো প্রদান করে। যখন রাস্তার পারিপার্শ্বিক আলোর অবস্থা পর্যাপ্ত থাকে না, তখন এই কর্নার লাইট সহায়ক আলো হিসেবে একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করে এবং গাড়ি চালানোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এই ধরনের আলোকসজ্জা সহায়ক আলো হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করে, বিশেষত সেইসব এলাকায় যেখানে রাস্তার পারিপার্শ্বিক আলোর অবস্থা অপর্যাপ্ত।
মোটরযানের নিরাপদ চালনার জন্য গাড়ির বাতির গুণমান ও কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮৪ সালে, চীন ইউরোপীয় ECE স্ট্যান্ডার্ডকে ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট জাতীয় মান প্রণয়ন করে, এবং বাতির আলো বিতরণের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
শ্রেণিবিন্যাস এবং কার্যকারিতা
গাড়ির জন্য দুই ধরনের কর্নার লাইট রয়েছে।
একটি হলো এমন একটি বাতি যা গাড়ির অনুদৈর্ঘ্য প্রতিসম তলের উভয় পাশে স্থাপন করা হয় এবং এটি গাড়ির সামনের দিকের রাস্তার কোণায়, যেখানে গাড়িটি মোড় নিতে যাচ্ছে, সেখানে সহায়ক আলো সরবরাহ করে। এই কর্নার ল্যাম্পের দেশীয় ও বিদেশী মানক নিয়মাবলীগুলো হলো: চীনা মান GB/T 30511-2014 "অটোমোটিভ কর্নার লাইট ডিস্ট্রিবিউশন পারফরম্যান্স", ইইউ নিয়মাবলী ECE R119 "অটোমোটিভ কর্নার লাইট সার্টিফিকেশনের উপর অভিন্ন নিয়মাবলী", আমেরিকান সোসাইটি অফ অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ার্স নিয়মাবলী SAE J852 "মোটর গাড়ির জন্য সামনের কর্নার লাইট"।
অন্যটি হলো এমন একটি বাতি যা গাড়ি পেছনে নেওয়ার বা গতি কমানোর সময় গাড়ির পাশে বা পেছনে সহায়ক আলো সরবরাহ করে এবং এটি গাড়ির পাশে, পেছনে বা নিচের দিকে স্থাপন করা হয়।
দেশে ও বিদেশে এই কর্নার ল্যাম্পের আদর্শ নিয়মাবলী হলো: ECE R23 "মোটরযান এবং ট্রেলারের রিভার্সিং লাইটের সার্টিফিকেশন সংক্রান্ত অভিন্ন নিয়মাবলী", SAE J1373 "৯.১ মিটারের কম দৈর্ঘ্যের গাড়ির পেছনের কর্নার লাইট", ECE R23 এই কর্নার লাইটকে স্লো রানিং লাইট বলে অভিহিত করবে।
পেছনের টেইললাইট হলো গাড়ির পেছনে লাগানো একটি বাতি, যা পেছনের গাড়ির সামনে আরেকটি গাড়ি আছে তা নির্দেশ করতে এবং দুটি গাড়ির মধ্যকার অবস্থানগত সম্পর্ক দেখাতে ব্যবহৃত হয়। এতে সাধারণত টার্ন সিগন্যাল, ব্রেক লাইট, পজিশন লাইট, রিয়ার ফগ লাইট, রিভার্স লাইট এবং পার্কিং লাইটের মতো বিভিন্ন কার্যকরী বাতি অন্তর্ভুক্ত থাকে। পেছনের টেইললাইটের নকশা এবং স্থাপন নির্দিষ্ট নিরাপত্তা বিধি ও মান অনুসরণ করে। যেমন, জাপানি নিরাপত্তা বিধি ইউরোপীয় মান ECE7-এর অনুরূপ, এবং কেন্দ্রের কাছাকাছি আলোর তীব্রতা ৪ থেকে ১২ cd হয় ও আলোর রঙ লাল হয়। এই বাতি এবং বাল্বগুলো আলোকবিজ্ঞান, বস্তুবিজ্ঞান এবং কাঠামোবিজ্ঞানের মতো বিভিন্ন শাখার সাথে জড়িত। এর বৈশিষ্ট্য হলো টার্ন সিগন্যাল এবং ব্রেক লাইটের প্রতিসম নকশা, যা রাতে গাড়ি চালানোর সময় পেছনের গাড়ির সামনে আরেকটি গাড়ি আছে তা কার্যকরভাবে নিশ্চিত করে এবং দুটি গাড়ির মধ্যকার অবস্থানগত সম্পর্ক দেখিয়ে ড্রাইভিং নিরাপত্তা উন্নত করে।
পেছনের কোণার বাতিগুলো কেন জ্বলে আর নিভে যায়?
পেছনের কোণার লাইট জ্বলে থাকা এবং না থাকার ৬টি কারণ রয়েছে:
১. অপটিক্যাল রিলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া: গাড়ির পাশের ফ্ল্যাশ রিলে ক্ষতিগ্রস্ত হলে, গাড়ির পাশের লাইট বাল্বটি জ্বলবে না। সমাধান: ফ্ল্যাশ রিলেটি প্রতিস্থাপন করুন।
২. লাইট বাল্ব নষ্ট হয়ে গেছে: হতে পারে টেইললাইটের পাশের বাল্বটি নষ্ট হয়ে গেছে, অথবা বাল্বের ফিউজ পুড়ে গেছে। সমাধান: টেইললাইটের পাশের বাল্বটি বদলে দিন।
৩. লাইন পুড়ে যাওয়া: টেইললাইটের লাইন পুড়ে গেছে কিনা তা হয়তো স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না, সমাধান: 4S শপে গিয়ে টেইললাইটের লাইনটি পরীক্ষা করান, যদি সত্যিই টেইললাইটের লাইনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তবে তা প্রতিস্থাপন করতে হবে।
৪. ল্যাম্পের পাওয়ার মেলে না: যদি টেইললাইটের ল্যাম্প আগে পরিবর্তন করা হয়ে থাকে, তবে হতে পারে যে নতুন লাগানো ল্যাম্পের পাওয়ার গাড়ির সাথে মিলছে না। এর সমাধান হলো: গাড়ির পাওয়ারের সাথে মেলে এমন ল্যাম্প লাগিয়ে নিন।
৫. ফিউজ পুড়ে গেছে: হেডলাইট চালু করার সময় তাৎক্ষণিক কারেন্ট খুব বেশি হয়ে যায়, গাড়ির হেডলাইটের মূল লাইনে সমস্যা থাকে অথবা হেডলাইটে শর্ট সার্কিট হয়, যার ফলে হেডলাইটের ফিউজ পুড়ে যায় এবং টেইললাইট জ্বলে না। সমাধান: পুড়ে যাওয়া ফিউজটি বদলে দিন।
৬. ত্রুটিপূর্ণ আয়রন: ত্রুটিপূর্ণ আয়রনের কারণে লাইট মারাত্মকভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে, টেইললাইটগুলো স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে না। সমাধান: পরিদর্শন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য 4S শপে যান।
আপনার সাহায্যের প্রয়োজন হলে আমাদের ফোন করুন।সিএইচ পণ্য।
ঝুও মেং সাংহাই অটো কোং, লিমিটেড এমজি এবং এমওএক্সএস গাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ক্রয়ের জন্য স্বাগতম।